আপনি যদি আপনার জন্ম নিবন্ধন টি অনলাইন করতে চান তাহলে নিচের আর্টিকেল টি পড়তে পারেন
২০২৩ সালে পুরাতন জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম
আজকে আমরা জন্ম নিবন্ধন ইংরেজি করার বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করবো।
জন্ম নিবন্ধন ইংরেজি আছে কিনা যাচাই
প্রথমে আপনার জন্ম নিবন্ধন টি যাচাই করতে হবে সেটি ইংরেজি তে আছে কি না। যদি না থাকে তো ইংরেজি করার জন্য আবেদন করতে হবে।
সে ক্ষেত্রে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন টি অনলাইন করা থাকতে হবে। সেটি নিয়ে আমি আগেই পোস্ট করেছি।
কিভাবে জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজি করবেন?
নিচে সম্পূর্ন নিয়ম বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
ধাপ ১ঃ জন্ম নিবন্ধন ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন
https://bdris.gov.bd/br/correction
ধাপ ২ঃ নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে আপনার জন্ম নিবন্ধন বের করুন
নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে আপনার জন্ম নিবন্ধন বের করুন
ধাপ ৩ঃ নিবন্ধন কার্যালয়ের ঠিকানা বাছাই
ধাপ ৫ঃ জন্মস্থানের ঠিকানা ইংরেজিতে লিখুন
ধাপ ৬ঃ আবেদনকারীর তথ্য
সর্ব প্রথম জানতে চাওয়া হবে
আবেদনাধীন ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক‘।
এক্ষেত্রে যেহেতু আপনার আবেদন আপনি করছেন তাই ‘নিজ‘ সিলেক্ট করে দিন। নিজ সিলেক্ট করলে আপনার বয়স ১৮ এর বেশি হলে আবেদনকারীর নাম অটোমেটিকভাবে পূরণ হয়ে যাবে।
মনে রাখবেন, পিতা মাতা ছাড়া অন্য কেউ আবেদনকারী হলে তার NID নম্বর দিতে হবে। তাই নিজ সিলেক্ট করাই ভালো।
এরপর আপনার মোবাইল নম্বর দিন। এখানে আপনি আবেদন রিলেটেড ম্যাসেজ পাবেন। +880 আগে থেকেই দেওয়া থাকবে। তাই ফোন নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে 0 বাদে বাকি সংখ্যাগুলো লিখবেন। যেমনঃ 176896***85
৭ম ধাপঃ সংযুক্তি যুক্ত করুন
এখানে সংযোজন নামের একটি অপশন পাবেন। সেটি তে ক্লিক করে আপনার ইংরেজি তে রয়েছে এমন কোনো সার্টিফিকেট দিতে হবে
৮ম ধাপঃ পেমেন্ট এর মাধ্যম
উপরের ধাপটি শেষ করার পর নিচের দিকে ‘পেমেন্ট এর মাধ্যম‘ নামক একটি সেকশন পাবেন। সেখানে ২ টি অপশন থেকে ‘ফি আদায়‘ অপশনটি সিলেক্ট করুন।
সকল তথ্য ঠিক আছে কিনা একবার ভালোভাবে দেখে নিন। সব ঠিকঠাক থাকলে নিচে থেকে ‘সাবমিট‘ বাটনে ক্লিক করে আপনার আবেদনটি জমা দিন।
সাবমিটে ক্লিক করার পর আপনার আবেদন নম্বর ও আবেদন পত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ দেখতে পাবেন। নম্বরটি কোথাও লিখে রাখুন। আবেদন কপিটি প্রিন্ট করার একটি অপশন পাবেন। ‘আবেদন প্রিন্ট করুন‘ বাটনে ক্লিক করে সেটি প্রিন্ট করে নিন।
৯ম ধাপঃ আবেদন পত্রের কপিটি জমা দিন
আবেদন কপিটি প্রিন্ট শেষ হলে সেই কপিটি নির্ধারিত তারিখের পূর্বে আপনার ইউনিয়ন/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশনে জমা দিতে হবে। একইসাথে সংযুক্তি ধাপে যেই ডকুমেন্টগুলো সংযোগ করেছিলেন সেগুলোর একটি করে ফটোকপি নিয়ে জমা দিবেন।
এই টাইমে আপনাকে ফি ও দিতে হবে। পরে কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদন টি সংশোধন করে ইংরেজি করে দিবে।
জন্ম নিবন্ধন ইংরেজি করার ফি
জন্ম নিবন্ধনের জন্য সরকার হতে ১০০ টাকা ফি বরাদ্দ করা হয়েছে।
তো এই ছিলো ২০২৩ সালের নিয়ম অনুসারে জন্ম নিবন্ধন ইংরেজি করার নিয়ম। পোস্ট টির কোথাও কোনো ভুল হলে কমেন্টে জানাবেন। ভালো লাগলেও কমেন্টে জনাবানে।
এতক্ষণ পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
টেক জায়ান্ট গুগল এর সাথে আমরা প্রায় সবাই পরিচিত। যেকোনো কিছুর সহজ সমাধান পেতে আমরা সচারাচর গুগল কে বেছে নিয়ে থাকি। যেটা প্রায় ক্ষেত্রে আমাদের মুশকিল গুলো সমাধান করতে সহযোগিতা করে থাকে।
আমাদের প্রত্যাহীক জীবনকে সহজ এবং সাবলীল করার জন্য গুগল আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে কাজে লাগাবে বলে শোনা যাচ্ছে।সেই লক্ষ্যেই এবার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনেও বার্ড এআই প্রযুক্তি দিতে যাচ্ছে টেক জায়ান্ট গুগল। ইতিমধ্যেই তাদের এআই বার্ড টি অত্যন্ত উন্নত হিসেবে পরিচিত হয়েছে।

চ্যাটজিপিটি এবং বিং-এর মতো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স গুলো আসার পর থেকে প্রযুক্তি খাতে তাদের আধিপত্য কে ধরে রাখতে নতুন চ্যাট বট চালু করে। জনপ্রিয় এইসব চ্যাটবটের সঙ্গেও টক্কর দিতে পারে গুগলের বার্ড এআই প্রযুক্তি।
এই এআই বট টি কিছু মাস আগে তৈরি করা হয়েছিলো। গুগল তার বিভিন্ন সার্ভিস এর কাজ কে সহজে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে এই এআই বার্ড টি কে কাজে লাগায়। তার মধ্যে রয়েছে জিমেইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি ড্রাফট, গুগল ডক্সে উন্নত টেক্সট তৈরির বৈশিষ্ট্য এবং গুগল মেসেজের ক্ষেত্রে এআই দিয়ে তৈরি অটোমেটিক রিপ্লাই।
অনেকে ওয়াইফাই ব্যাবহার করে থাকে, আবার অনেকে সিমে মেগাবাইট কিনে ইন্টারনেট ব্যাবহার করে থাকে।আসলে ওয়াইফাই ব্যাবহার করলে ডিভাইস এর উপর চাপ কম থাকে।অপরদিকে সিমে মেগাবাইট কিনে ইন্টারনেট ব্যাবহার করলে ডিভাইস এর উপর একটু চাপ বেশি থাকে।যাই হোক, ওয়াইফাই ব্যাবহার করলে, অনেকের রাউটার হ্যাক হয়ে যায়।আবার অনেকের রাউটার অন্যর কন্ট্রলে চলে যায়।আজকে আপনাদের জানাব,রাউটার হ্যাক হওয়ার হাত থেকে বাচাতে বা রাউটার নিরাপদ রাখতে যে বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে।আশা করি সম্পন্ন আর্টিক্যালটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

রাউটার ব্যাবহার করে ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে গেলে অনেকের রাউটার হ্যাক হয়ে যায়, এবং অনেকে সে রাউটার এর ইন্টারনেট ব্যাবহার করে থাকে,এতে নেট স্লো হয়ে যায়।রাউটার ব্যাবহার করে ওয়াইফাই ব্যাবহার করলে কখনো পাসওয়ার্ড অন্য কাউকে দিবেন না।কিন্তু অনেকে কিন্তু পাসওয়ার্ড জেনে যায়।আপনি না দিলেও কিন্তু যেকোন একটি মাধ্যামে বা স্ক্যান করে পাসওয়ার্ড জেনে যায় অনেকে।এবং আপনার রাউটার এর ইন্টারনেট ব্যাবহার করে থাকে অনেকে।এজন্য আপনার করনীয় বিষয় আছে, যেটি করলে পাসওয়ার্ড জানলেও কেউ ব্যাবহার করতে পারবে না ইন্টারনেট। ম্যাক ফিল্টারিং নাম শুনেছেন অনেকে? ম্যাক ফিল্টারিং করলে আপনি বাছাই করে যে কয়েকটি ডিভাইস কে নেট চালানো অনুমতি দিবেন শুধু সে কয়েকটি ডিভাইস ই নেট ব্যাবহার করতে পারবে। অন্য কোনো ডিভাইস কানেক্ট করতে পারবে না, পাসওয়ার্ড জানলেও,কানেক্ট হলেও নেট ব্যাবহার করতে পারবে না।অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে আপনি এ কাজটি করে নিতে পারেন।তখন পাসওয়ার্ড জানলে বা স্কান করেও কেউ ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবে না।এছাড়াও আপনি যাদের থেকে ওয়াইফাই লাইন নিবেন, তারা একটি ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিবে আপনাকে।কখনো ভুলে এই ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড কাউকে দেখাবেন না।কারন, এটি অন্য দেখলে পুরো রাউটার ই অন্যজনের দখলে চলে যেতে পারে।মানে রাউটার অন্য জনের কন্ট্রোলে চলে যাবে।আপনাকে সাবধান থাকতে হবে।যদিও এই ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড কেউ দেখে ফেলে, তাহলে ওয়াইফাই এর অফিসে গিয়ে পরিবর্তন করে সেট আপ দিয়ে নিয়ে আসবেন,এক্ষেত্রে আপনাকে রাউটার সাথে নিয়ে যেতে হবে।আপনি যদি পিসি বা ল্যাপটপ এ ইন্টারনেট ব্যাবহার করে থাকেন, তাহলে আপনাকে রাউটার না কিনে সরাসরি লাইন পিসি বা ল্যাপটপ এ নিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন।আপনাকে রাউটার ব্যাবহার করলে সব সময় নিরাপদে থাকতে হবে। ওয়াইফাই যত ব্যাবহারকারি হবে তত স্লো কাজ করবে। এজন্য চেস্টা করবেন কম ডিভাইস একটি রাইটার এর সাথে কানেক্ত করতে।প্রতি২-৪ মাস পর পর চেস্টা করবেন রাউটার রিসেট দেওয়ার জন্য। আপনার রাউটার এর ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড নিরাপদ রাখার একটিই ভাল উপায় সেটি হলো ম্যাক ফিল্টারিং করা।অন্য একটি সিস্টেম আছে সেটি হলো ব্লক করা।কিন্তু আপনি কয়জন কে ব্লক দিবেন, আজ না হয় একজনকে ব্লক দিলেন, কিছুদিপর আবার অন্যজন পাবে।এবং আপনার রাউটার থেকে ওয়াইফাই ব্যাবহার করবে। এছাড়াও অনেকে আছে, সাব লাইন দিয়ে থাকে, এতে আপনার রাউটার অনেক গতি কমে যায়।এজন্য সাব লাইন দেয়া থেকে বিরত থাকুন।আপনার চেস্টা করতে হবে,ভাল মানের রাউটার কেনা।অনেকে আছে পুরোনো রাউটার কিনে ব্যাবহার করে থাকে। আসলে এটি করা ঠিক না।কারন, পুরোনো রাউটার স্পীড কম দিবে।এজন্য নতুন রাউটার এর বিকল্প নেই।

যে বিষয়গুলো শেয়ার করলাম,আপনি নতুন লাইন নেন বা আগে থেকে লাইনে নিয়েছেন বিষয়গুলো ফলো করলে আপনার রাউটার থাকবে নিরাপদ ও আপনার নেট স্পীড ও অনেক ভাল থাকবে।আপনার রাউটার এর পাসওয়ার্ড কেউ নিতে পারবে না।এবং আপনার রাউটার কেউ হ্যাক ও করতে পারবে না।আশা করি সকল ওয়াইফাই ব্যাবহার কারীদের অনেক উপকারে আসবে।
বর্তমান হলো ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগ,এই যুগে এখন সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন। আমাদের ভিতর অনেকে আছে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার দক্ষতা অনেক।আবার অনেকে আছে নতুন ইন্টারনেট ব্রাউজিং করতে জানে না।এবং ইন্টারনেট সম্পর্কে ধারনা কম।যারা নতুন ইন্টারনেট ব্রাউজ করবেন, তারা আজকে কিছু ধারনা নিয়ে নিন।ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার আগে কিছু ব্যাসিক ধারনা নিয়ে নিন,কাজে লাগবে,এবং আপনি বিপদে পড়বেন না।আশা করি সম্পন্ন আর্টিক্যালটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়,কারন মুহুর্তে ইন্টারনেট এ অনেক কিছু সম্ভব হচ্ছে।আগের সময় তো ইন্টারনেট ব্যাবহার করার জন্য অনেক বড় ঘর লাগতো এবং সে ঘরে কম্পিউটার রাখা হত।সে কম্পিউটার দিয়ে ইন্টারনেট চালানো হত।কিন্তু এখন স্মার্টফোন এর স্পর্শে ইন্টারনেট এর সকল ওয়েবসাইট ভিজিট করা যায়। শুধু ইন্টারনেট না এখন স্মার্টফোন দিয়ে কম্পিউটার এর সকল কাজ করা সম্ভব। ইন্টারনেট ব্রাউজ করার যাদের অভিজ্ঞতা আছে তাদের তো সমস্যা নেই,কিন্তু যারা নতুন তারা ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময় নানা সমস্যায় পড়তে পারেন।আজকে আপনাদের কিছু ধারনা দেব, যেটা ফলো করলে ইইন্টারনেট ব্রাউজ করতে কোনো ঝামেলা পোহাতে হবে না।ইন্টারনেট সম্পর্কে লিখতে গেলে সারাদিন লিখলেও শেষ করা যাবে না। আমাদের মধ্য অনেকে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য স্মার্টফোন দিয়ে বিভিন্ন ব্রাউজারে ঢুকে থাকে।যারা নতুন আছেন ব্রাউজার ওপেন করার পর যেকোন ওয়েবসাইট এ যান না কেন,অনেক ধরনের এড আসবে।আপনি সে এড গুলো কখনো পারমিশন দিবেন না।আপনি যদি পারমিশন দেন,তাহলে দেখা যাবে আপনি বিপদে পড়ে যাবেন৷ কারন, আপনি পরবর্তীতে যখন ইন্টারনেট সংযোগ দিবেন তখন এড আসে আপনার নোটিফিকেশন প্যানেল বুক করে দিবেন।এছাড়াও আপনি চেস্টা করবেন ব্রাউজার এর কুকিজ ফাইল রিমুভ করার। কারন এসব কুকিজ ফাইল আপনার স্মার্টফোন এর ব্রাউজার কে স্লো করে দিতে পারে।আমাদের মধ্য অনেকে আছে বিভিন্ন অনৈতিক ভিডিও এর ওয়েবসাইট এ প্রবেশ করে এবং যে এড গুলো আসে সে গুলো পারমিশন দিয়ে দেয়,এতে পরবর্তী যখন সবার সামনে নেট সংযোগ দেয়, তখন বাজে এড এসে পড়ে। এগুলো মাথায় রেখে নেট ব্রাউজিং করা উচিৎ। ইন্টারনেট আমাদের সকলের ভাল কাজে ব্যাবহার করা উচিৎ। অনেক সময় দেখা যায় নেটে অনেক ভাইরাস আসে, যেগুলো পারমিশন দিলে ডিভাইস স্লো হয়ে যায়। তাই না বুঝে কোনো কিছু ব্রাউজিং এর সময় পারমিশন দেয়া উচিৎ না।ইন্টারনেট ভাল এবং খারাপ দুই কাজেই ব্যাবহার করা যায়৷ আসলে আমাদের সবার উচিৎ যেন ইন্টারনেট দরকারি কাজে ব্যাবহার করা।ইন্টারনেট ব্যাবহার করার আগে সকল দিকে জেনে বুঝে তারপর ব্রাউজিং করা উচিৎ। কারন,অনেকে আছে এই ইন্টারনেট এর কারনে বিশাল বিপদে পড়ে যায়।না বুঝে এমনি একটা এড পারমিশন দিয়ে দেয়,এবং পরবর্তীতে ঝামেলায় পড়ে যায়।

একবার ভাবুন আগের সময় এবং এখন এই ইন্টারনেট এর যুগের সময় কতটা পার্থক্য।ইন্টারনেট ছাড়া পুরো দুনিয়া অচল।কত কাজ যে এখন এই ইন্টারনেট এর মাধ্যামে করা সম্ভব তা কল্পনার বাইরে।একদিন ইন্টারনেট না থাকলে এর গুরুত্ব বোঝা যায়।আমরা যে ফেসবুক,ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ যা ব্যাবহার করছি সব ইন্টারনেট এর কারনে সম্ভব হয়েছে। আজকে এ পযন্ত, আশা করি সকলে বুঝতে পেরেছেন। নতুন অবস্থায় ইন্টারনেট ব্রাউজ করার আগে এ ব্যাসিক ধারনা গ্রহন করা উচিৎ। তাহলে আপনি কখনো বিপদে পড়বেন না।এছাড়াও আরো অনেক দিক আছে, সকল কিছু জেনে বুঝে তারপর ইন্টারনেট ব্রাউজ করা উচিৎ।









